নাজমীন মর্তুজা

শীতের পাড়ি আমার বাড়ি

লাল রাস্তায় জোড়ে ছুটলে গাড়ি
ওড়ে লাল রঙা ধোঁয়া
একজনপদ গিরি মাটির উধাও পথ
বিলের উপড়ে ছায়া ফেলে ঝুঁকে আছে এক ঘুম বাংলা গ্রাম সোনার পাড়া।
আমার প্রথম পাড়ি সেই আড়বাড়ি
পাড়ার মুখে ছোট দোকান
লিকার চায়ে তেষ্টা মেটাবার ছলে
জেনে নিয়েছিলাম কোন পাড়ায় মোরগ লড়াইয়ের আসর পড়েছে।
অভয়ার জঙ্গল ছেড়ে দলমার হাতি এখন কোন পথে।
গ্রাম পরবের খবর পাবো
মন্ডপের কুপি জ্বালানো খগেনের কাছে
বলি ও দাদু জান নাকি কাল কি হবে ?
হবে হবে দিদি ভাই ,পাখির কূজন
পাতা ঝডা়র খেলা
আমার তখন উত্তরের হাওয়ায় ভাসছে ছিন্ন পত্র,
প্রকৃতির পরব একদিনে দেখবার নয়
যুগ যুগ ধরে একই নিয়মে
মাথার উপরে উড়ে যায় নীল ট্র্যাকে সবুজ টিয়ার ঝাঁক
পিরাকাঁটার হাট বেশ সরগরম
যেন চাক ভাঙ্গা ভীমরুল।
কাজল নদীতে গরু- ছাগল হেঁটে পারাপার করে রাখালের দল
এ নদীর উপর পার্বন পড়ে মকরে
ব্যাকগ্রাউন্ড লাইটে পাশের বাড়ির আভাস
কেউ চেঁচিয়ে উঠলেন সাইলেন্স।
আমিও চোখের পাতায় পর্দা এঁটে স্মৃতির দরজা আটকে দিলাম।
মন মাঝে ঘুমিয়ে থাক আমার গ্রাম
আমার উঠান।

Related Posts

ফেরিওয়ালা

কী কী বহন করো ফেরিওয়ালা একটি পাখির ডাক ও ভোর? আগুনের চিৎকার বিষণ্ন শ্মশান কোলাহলআরও পড়ুন

ডায়েরি

বিভা আজ সারাদিন তোমার ডায়েরি পড়লাম প্রতিটি পাতায় লিখে রাখা নিজেকে শেষ করে দেওয়ার বিষাদআরও পড়ুন

কিছুটা ভাব সাবলীল সুখ

স্তন ছোঁবে খাজনা দেব না বলে যত অনুতাপ আগ্রাহ্য রইবো অফুরান, এই শহরে…. তারাগঞ্জ থেকেআরও পড়ুন

বসন্তের কোন ক্যালেন্ডার নেই

কিছু না করার ভয়াবহতায় আচ্ছন্ন আছি অনেকদিন তবে তোমাকে নিয়ে ভাবতে পারার তৃপ্তি শরীরের ছন্দেআরও পড়ুন

সুড়ঙ্গ লালিত সম্পর্ক

এক অগাধ সমুদ্র কল্পনা করতে গিয়ে সমস্ত কল ছেড়ে দিয়ে দেখেছিলাম ,এক নতুন বিদ্রুপ। আপাতআরও পড়ুন

আয়ত বাঁচা

ব্যথার জলে খেয়া ভাসিয়ে পৌঁছে গিয়েছি তোমার বুকের পারঘাটায় গোমতী ধলেশ্বরীর বাঁধ ভেঙে ভাঙা বেড়াআরও পড়ুন

একাকী ঠোঁট

বলেছিলে… ঠোঁটের একটা তেল ছবি তুমি শুরু করেছিলে… আসলে আর জানা হয়নি শেষ হয়েছিল কিনা…আরও পড়ুন

দহন

তোমার মন পেতে অনেক অভিনয় করতে হলো তাই বদলে নিয়েছি দিনলিপি অপ্রাপ্তি আর নির্লিপ্ততার ক্ষণআরও পড়ুন

বসন্ত

বসন্তের কাঁটা কি সেখানে থমকে গেছে যে সময়কে স্মৃতি বন্দি করে রেখে এসেছি ঝাঁপি ভর্তিআরও পড়ুন

মন্তব্য বন্ধ