কবিতা

নাজমীন মর্তুজা

আয়ত বাঁচা

ব্যথার জলে খেয়া ভাসিয়ে
পৌঁছে গিয়েছি তোমার বুকের পারঘাটায়
গোমতী ধলেশ্বরীর বাঁধ ভেঙে
ভাঙা বেড়া কুঁড়ে ঘর হাঁকরে
মনস্তাপের গোলকধাঁধায়।

বিকাশ গায়েন ডেকে যায়
বাঁশির সুরে
উঠে দাঁড়িয়ে পড়লাম যখন
ভাঙা আঙিনায়,
এই যে রাখলে দূরে ঠেলে
সমুহ বিনাশ মুছে,
অন্তসারহীন পৃথিবীতে।

কেবল হোঁচট খেয়ে ইউক্যালিপটাস গাছ,
বিষণ্ণ ঝোপ ঝাড়
অযত্নে খোলা খোঁপা।

শেষ কথা শেষ ছোঁয়া কবে যেন
ধারাপাত মনে নেই ঠিক;
আদরের মত পাগল
কেমন আছে ঠোঁট দুটো?

ছুঁয়ে যাও জন্ম তিলক
বুকের মাঝখানে স্পর্শ ঘ্রাণে।

ধুসর কুয়াশায় মোড়া
মনসিজে আকরিক ডুবলে
অনন্ত কুয়োর জলে।

Related Posts

ফেরিওয়ালা

কী কী বহন করো ফেরিওয়ালা একটি পাখির ডাক ও ভোর? আগুনের চিৎকার বিষণ্ন শ্মশান কোলাহলআরও পড়ুন

ডায়েরি

বিভা আজ সারাদিন তোমার ডায়েরি পড়লাম প্রতিটি পাতায় লিখে রাখা নিজেকে শেষ করে দেওয়ার বিষাদআরও পড়ুন

কিছুটা ভাব সাবলীল সুখ

স্তন ছোঁবে খাজনা দেব না বলে যত অনুতাপ আগ্রাহ্য রইবো অফুরান, এই শহরে…. তারাগঞ্জ থেকেআরও পড়ুন

বসন্তের কোন ক্যালেন্ডার নেই

কিছু না করার ভয়াবহতায় আচ্ছন্ন আছি অনেকদিন তবে তোমাকে নিয়ে ভাবতে পারার তৃপ্তি শরীরের ছন্দেআরও পড়ুন

সুড়ঙ্গ লালিত সম্পর্ক

এক অগাধ সমুদ্র কল্পনা করতে গিয়ে সমস্ত কল ছেড়ে দিয়ে দেখেছিলাম ,এক নতুন বিদ্রুপ। আপাতআরও পড়ুন

একাকী ঠোঁট

বলেছিলে… ঠোঁটের একটা তেল ছবি তুমি শুরু করেছিলে… আসলে আর জানা হয়নি শেষ হয়েছিল কিনা…আরও পড়ুন

দহন

তোমার মন পেতে অনেক অভিনয় করতে হলো তাই বদলে নিয়েছি দিনলিপি অপ্রাপ্তি আর নির্লিপ্ততার ক্ষণআরও পড়ুন

বসন্ত

বসন্তের কাঁটা কি সেখানে থমকে গেছে যে সময়কে স্মৃতি বন্দি করে রেখে এসেছি ঝাঁপি ভর্তিআরও পড়ুন

টুকে নিচ্ছি একখন্ড সময়ের আলেখ্য

টুকে নিচ্ছি সাধনের ভাঁজে অমিমাংসিত প্রেম চলনহীন পা হড়কে যাচ্ছে আমার টুকে নিচ্ছি নতজানু হবারআরও পড়ুন

মন্তব্য বন্ধ