কবিতা

নাজমীন মর্তুজা

আলো ও আলেয়ার আঁচ

তুমি যখন বললে
আমার চোখ দুটোর মধ্যে
কি যেন ধক ধক করে ওঠে।

বিশ্বাস রাখো কিছু চেপে রাখিনি
ফেটে ফুটে বের হবে না রাগ
তুমি ঘন করে তাকাও
এখানে চোখ ধাঁধানো পান্নার খনি।

তুমি তো হৃদয়ের কদমফুল ভাঙ্গতে
শিখলেনা এখনো,
প্রথমে কদমের রোয়া তোলো
তারপর হাতে আসবে তুলতুলে সবুজ বলের মতো প্রাণ।

তুমি যে কি !
কানশিশা ফুল ছিঁড়ে বোঁটার মধু জিভে নিয়েছো কখনো …
তবে কি করে সবল ঠোঁটে নাচাবে ঘন শ্বাস?

এই নাও হাতের তালুতে আলগা তোল মুখটা
দেখেছো….
সেটা শরৎ কালের কুসুম
যে চোখে চোখ রেখে অপলোক বলো কি অদ্ভুত
ও দুটো আকাশ!

মেঘ আসে মেঘ যায়,
বৃষ্টি হয় ঝুমঝুম
আবার ভেসে ওঠে ধোয়া মোছা আকাশ।

যে তুমি অন্ধকারের ছবি ঘরে বসে
দরজা বন্ধ করে দপ করে জ্বলে ওঠা
আলেয়াটুকুর আঁচ নিতে পারো না
তবে আর কি করা বলো ?

প্রিমিয়াম স্কচ ঢেলে নিয়ে গ্লাসে…
রাহাত ফাতেহ আলী কে শুনতে শুনতে
ঘুমিয়ে পড়ো
এক জোড়া চোখের ভাষা
পড়তে পড়তে।

Related Posts

ফেরিওয়ালা

কী কী বহন করো ফেরিওয়ালা একটি পাখির ডাক ও ভোর? আগুনের চিৎকার বিষণ্ন শ্মশান কোলাহলআরও পড়ুন

ডায়েরি

বিভা আজ সারাদিন তোমার ডায়েরি পড়লাম প্রতিটি পাতায় লিখে রাখা নিজেকে শেষ করে দেওয়ার বিষাদআরও পড়ুন

কিছুটা ভাব সাবলীল সুখ

স্তন ছোঁবে খাজনা দেব না বলে যত অনুতাপ আগ্রাহ্য রইবো অফুরান, এই শহরে…. তারাগঞ্জ থেকেআরও পড়ুন

বসন্তের কোন ক্যালেন্ডার নেই

কিছু না করার ভয়াবহতায় আচ্ছন্ন আছি অনেকদিন তবে তোমাকে নিয়ে ভাবতে পারার তৃপ্তি শরীরের ছন্দেআরও পড়ুন

সুড়ঙ্গ লালিত সম্পর্ক

এক অগাধ সমুদ্র কল্পনা করতে গিয়ে সমস্ত কল ছেড়ে দিয়ে দেখেছিলাম ,এক নতুন বিদ্রুপ। আপাতআরও পড়ুন

আয়ত বাঁচা

ব্যথার জলে খেয়া ভাসিয়ে পৌঁছে গিয়েছি তোমার বুকের পারঘাটায় গোমতী ধলেশ্বরীর বাঁধ ভেঙে ভাঙা বেড়াআরও পড়ুন

একাকী ঠোঁট

বলেছিলে… ঠোঁটের একটা তেল ছবি তুমি শুরু করেছিলে… আসলে আর জানা হয়নি শেষ হয়েছিল কিনা…আরও পড়ুন

দহন

তোমার মন পেতে অনেক অভিনয় করতে হলো তাই বদলে নিয়েছি দিনলিপি অপ্রাপ্তি আর নির্লিপ্ততার ক্ষণআরও পড়ুন

বসন্ত

বসন্তের কাঁটা কি সেখানে থমকে গেছে যে সময়কে স্মৃতি বন্দি করে রেখে এসেছি ঝাঁপি ভর্তিআরও পড়ুন

মন্তব্য বন্ধ